মেনু নির্বাচন করুন

প্রাকৃতিক সম্পদ
প্রাকৃতিক সম্পদ

মুক্তাগাছা উপজেলায় প্রাকৃতিক সম্পদ বলতে কিছু বনজ সম্পদ রয়েছে। মুক্তাগাছা উপজেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিমে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়ক জুড়ে রসুলপুর বনাঞ্চলের অবস্থান। মধুপুর গড়ের ও একটি অংশ । এই বনাঞ্চল ১৭ হাজার একর জমির  ওপর গড়ে উঠেছে ।

বাংলাদেশতৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ।ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ খনিজসম্পদে তেমন স্বয়ং সম্পুর্ন নয়। তথাপি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্নস্থানে নানা ধরণের খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যেমন-প্রাকৃতিকগ্যাস, কয়লা, আকরিক লৌহ, চুনামাটি,বেলে পাথর, মাটবেল পাথর, খনিজ তেল, খনিজবালি বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ।

এখন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ জেলায় কোন খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায় নাই।

কাপাসিয়াগ্যাস ক্ষেত্র

গাজীপুরজেলার কাপাসিয়ায় তেল গ্যাস আবিষ্কারের সম্ভাবনাময় একটি ভূ-গঠন আবিষ্কৃতহয়েছে/চিহুত হয়েছে। বাপেক্ম এই ভূ-গঠনে সম্পূর্ন সরকারী অর্থায়নে একটি ৩৫০০মিটার গভীরতা সম্পন্ন কূপ খনন করবে। প্রকল্পের মেয়াদকাল সেপ্টেম্বর ২০০৭থেকে-জুন ২০১১। সিংহশ্রী ইউনিয়নের কপালেশ্বর গ্রামে অনুসন্দ্ধান কূপ খননকরা হয়েছে। ৪৫০ BCF গ্যাস আবিস্কারের সম্ভাবনা রয়েছে। যা উত্তোলন যোগ্য।

প্রাচ্যের ডান্ডি নারায়ণগঞ্জ একটি ঐতিহ্যবাহী শহর। নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় বিভিন্ন প্রকার শিল্প প্রতিষ্ঠান, যেমন- গার্মেন্টস্ শিল্প, লৌহ শিল্প, জাহাজ শিল্প, টেক্সটাইল মিলস, লবন কারখানা, হোসিয়ারী সহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকলেও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় এখনো পর্য ন্ত কোন প্রাকৃতিক সম্পদের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
জলবায়ু, বৃষ্টিপাত, ভূমি এবং মাটির উর্বরা শক্তি, নদনদী, কৃষি সম্পদ, বনজ সম্পদ, খনিজ সম্পদ ও মৎস্য সম্পদ ইত্যাদি আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ।
খনিজ সম্পদেও আমাদের বাংলাদেশে কম সমৃদ্ধ নয়। বাংলাদেশের খনিজের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাসই প্রধান। মোট সঞ্চিত গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ১১.১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এছাড়াও বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ চুনাপাথর, নুড়ি পাথর ও কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় প্রচুর পরিমাণ লবণ তৈরি হয়।প্রাকৃতিক গ্যাস ছাড়া আরও যে সমস্ত খনিজ সম্পদ আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে চুনাপাথর, নুড়ি পাথর, কয়লা উল্লেখযোগ্য।এছাড়া সামান্য পরিমাণ কঠিন শিলা, সিলিকা বালু, চীনামাটি ইত্যাদিও আবিষ্কৃত হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, বাংলাদেশের উপকূলে প্রচুর পরিমাণ তেল খনিজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজশাহী, বগুড়া ও সিলেটে বিটুমিন লিজানাইট কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। এ সমস্ত উন্নতমানের কয়লা রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পত্নীতলা, বগুড়ার জামালগঞ্জ ও সিলেটের লালহাট, লামাকাঠ ও টেকেরহাট নামক স্থানে পাওয়া গেছে।বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে নিকৃষ্টমানের পিটকয়লাও রয়েছে। এগুলো ফরিদপুর বাসিয়া ও চান্দাবিল, খুলনার কোলাবিল ও সিলেটের কোন কোন অঞ্চলে বিস্তৃত রয়েছে। সম্প্রতি দিনাজপুরে কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণ খনিজ তেল রয়েছে। ১৯৮২ সালে সিলেটের হরিপুরে দৈনিক ৬০০ ব্যারেল তেল উত্তোলন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি খনিজ রয়েছে।এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট ১৩টি গ্যাস ক্ষেত্রে প্রায় ১১.১ ট্রিলিয়ন কিউসেক ফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সিলেটে ৬টি, কুমিল্লায় ২, নোয়াখালী ২, চট্টগ্রামে ১, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১ ও ঢাকায় একটি। এসব গ্যাস ক্ষেত্রের মধ্যে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, মোমেনশাহী, জামালপুরের মধ্যে তিতাস, ঢাকার শিল্প ও গৃহস্থালী।
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা, কৈলাসটিলা হতে সিলেট চট্টগ্রামে সরবরাহ করা হয়। ধাতব খনিজ সম্পদ বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত না পেলেও রাজশাহী, দিনাজপুর, কক্সবাজারে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অধাতব খনিজ সম্পদ অর্থাৎ চুনা পাথর বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে সিলেটের টেকেরহাট ও জাফলং এলাকায় প্রায় ৫ কোটি, বগুড়া জামালগঞ্জ ও জয়পুরহাটে প্রায় ১০ কোটি, চট্টগ্রামে সেন্টমার্টিনে ১০ কোটি, সীতাকুণ্ডে ১৮, চুনাপাথর আবিষ্কৃত হয়েছে।বিজয়পুরে প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টন চীনা মাটির সন্ধান পাওয়া গেছে।সিলিকা বালি সিলেটের শাহাজিবাজার, কুলাউড়া, নয়াবাজার, চট্টগ্রামের দোহাজারী, শেরপুরের বালীজুরী, কর্ণঝোরা, তাওয়াকুচা এবং ঝিনাইগাতির গারো পাড়া ও কুমিল্লার বাতিশ এলাকার সিলিকা বালি প্রচুর পরিমাণ পাওয়া গেছে।নুড়িপাথর, সিলেটের ভোলাগঞ্জ ও লুবা, রংপুরের পাটগ্রাম, শেরপুরের শ্রীবরদী থানার কর্ণঝোরা, বাট্টাজোর, পানবর, মালাকুচা, ঝিনাইগাতি থানার সন্ধাকুড়া, হলদিবাটায় প্রচুর নুড়ি পাথর পাওয়া যায়। এসব নুড়ি পাথর সড়কপথ, রেলপথ, সেতু, কালভার্ট, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় এখনো পর্যন্ত কোন খনিজ সম্পদ আবিস্কৃত হয় নাই। তবে এই বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। ধারনা করা যায় এই এলাকাটিতে প্রকৃতিক গ্যাস বৃদ্ধমান তবে তা সীমিত পরিষরে।
খনিজ সম্পদ জানতে ক্লিক করুন 
বঙ্গোপসাগরের মৎস্য সম্পদ তলদেশের মুল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান আহরন পর্যটন শিল্পের বিকাশসহ ব্লু ইকোনমিক গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকাকে দ্রুত এগিয়ে নেয়ার ব্যাপক সুযোগও রয়েছে।এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৩-৮৪ সালে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের মৎস্য সম্পদের উপর প্রথম জরিপ চালানো হয়। এতে টোনা, হলুদ পাখনার মাছ তরকারি মাছ, চিংড়ি ও কার্পজাতীয় মাছসহ বেশ কয়েকটি আর্থিকভাবে মুল্যবান মাছের ব্যাপক উপস্থিতি পাওয়া যায় । সমুদ্রের তলদেশে মানবদেহের জন্য উপকারি বেশকিছু উদ্ভিদ জলজ প্রানি রয়েছে। জীবন রক্ষাকারি ওষুধের অন্যতম উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন সম্পদের পর্যাপ্ত উপস্থিত্ওি জরিপে পাওয়া যায়।
পেট্রোবাংলা